রাজধানীর কলাবাগানে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের চার কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে মোট ১৩টি তাজা ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর মিরপুর রোডে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের মাঠসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- মো. শামিনুর রহমান (৫৩), কামরুন্নাহার লিপি (৫০), মো. নাজমুল হাসান (৪৯) ও মো. বিল্লাল হোসেন (৪৫)।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন জানান, গ্রেপ্তার শামিনুর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা এলাকার আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং কামরুন্নাহার একই এলাকার দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক। নাজমুল যুবলীগের কর্মী এবং অপর গ্রেপ্তার বিল্লাল আওয়ামী লীগের কর্মী।
ডিএমপির ধানমন্ডি মডেল থানা ও কলাবাগান থানা সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটের দিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ১০ থেকে ১৫ জন নেতাকর্মী সাত থেকে আটটি মোটরসাইকেলে করে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের মাঠসংলগ্ন এলাকায় আসেন। সেখানে তারা ব্যানার প্রদর্শনের পাশাপাশি কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চালান।
বিস্ফোরণের শব্দ শুনে ধানমন্ডি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করেও ককটেল নিক্ষেপ করে। তবে তিনি কৌশলে নিজেকে রক্ষা করতে সক্ষম হন। পরে ঘটনাস্থল থেকে নাজমুল ও বিল্লালকে গ্রেপ্তার করেন।
অন্যদিকে ককটেল বিস্ফোরণের পর পালিয়ে যাওয়ার সময় কলাবাগান বাসস্ট্যান্ডের ওভারব্রিজের নিচে অবস্থিত বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডারের সামনে থেকে শামিনুর ও কামরুন্নাহারকে গ্রেপ্তার করে কলাবাগান থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে প্রথমে তিনটি তাজা ককটেল উদ্ধার করা হয়। পরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তল্লাশি চালিয়ে আরও ১০টি ককটেল উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে উদ্ধার করা হয় ১৩টি তাজা ককটেল। পরে ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল টিম সেগুলো নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করে।
এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানিয়েছে ডিএমপি।
এমএইচ
নিজস্ব প্রতিবেদক 



















