যুদ্ধাপরাধের দায়ে কসোভোর সাবেক প্রেসিডেন্টের ২৫ বছরের জেল

নব্বইয়ের দশকে সার্বিয়ার বিরুদ্ধে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের দায়ে কসোভোর সাবেক প্রেসিডেন্ট হাশিম থাচিকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে অবস্থিত কসোভো স্পেশালিস্ট ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করেন।

৫৮ বছর বয়সি থাচি সেসময় কসোভো লিবারেশন আর্মি বা কেএলএর শীর্ষ কমান্ডার ছিলেন। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও সার্বিয়ান বাহিনীর চর সন্দেহে ৯৬ জনকে হত্যার ঘটনায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। শুরু থেকেই সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন তিনি। রায় ঘোষণার সময় কাঠগড়ায় একদম চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিলেন সাবেক এই প্রেসিডেন্ট।

তার সঙ্গে কেএলএর আরও তিন শীর্ষ কমান্ডারকেও সাজা দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে জাকুপ ক্রাসনিকিকে ২৫ বছর, কাদরি ভেসেলিকে ১৮ বছর এবং রেজেপ সেলিমিকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে বেসামরিক মানুষের ওপর পরিকল্পিত হামলার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ থেকে খালাস দিয়েছেন।

এদিকে এই রায়ের পর কসোভোর রাজধানী প্রিস্টিনায় হাজার হাজার মানুষ বড় পর্দায় তা সরাসরি দেখেছেন। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়কদের এমন সাজা দেখে তারা হতবাক হয়ে পড়েন এবং অনেকেই তাদের সমর্থনে নানা স্লোগান দেন।

সূত্র: আল-জাজিরা।

এমএইচ

অপারেশন সিঁদুরের পর প্রথমবার পাকিস্তানি মন্ত্রীকে দিল্লিতে আমন্ত্রণ জানাল ভারত

যুদ্ধাপরাধের দায়ে কসোভোর সাবেক প্রেসিডেন্টের ২৫ বছরের জেল

প্রকাশিত : ০৮:১৩:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নব্বইয়ের দশকে সার্বিয়ার বিরুদ্ধে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের দায়ে কসোভোর সাবেক প্রেসিডেন্ট হাশিম থাচিকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে অবস্থিত কসোভো স্পেশালিস্ট ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করেন।

৫৮ বছর বয়সি থাচি সেসময় কসোভো লিবারেশন আর্মি বা কেএলএর শীর্ষ কমান্ডার ছিলেন। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও সার্বিয়ান বাহিনীর চর সন্দেহে ৯৬ জনকে হত্যার ঘটনায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। শুরু থেকেই সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন তিনি। রায় ঘোষণার সময় কাঠগড়ায় একদম চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিলেন সাবেক এই প্রেসিডেন্ট।

তার সঙ্গে কেএলএর আরও তিন শীর্ষ কমান্ডারকেও সাজা দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে জাকুপ ক্রাসনিকিকে ২৫ বছর, কাদরি ভেসেলিকে ১৮ বছর এবং রেজেপ সেলিমিকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে বেসামরিক মানুষের ওপর পরিকল্পিত হামলার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ থেকে খালাস দিয়েছেন।

এদিকে এই রায়ের পর কসোভোর রাজধানী প্রিস্টিনায় হাজার হাজার মানুষ বড় পর্দায় তা সরাসরি দেখেছেন। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়কদের এমন সাজা দেখে তারা হতবাক হয়ে পড়েন এবং অনেকেই তাদের সমর্থনে নানা স্লোগান দেন।

সূত্র: আল-জাজিরা।

এমএইচ