মিয়ানমারের দ্বিতীয় প্রধান শহর মান্দালয়ের তাড়া-উ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা হয়েছে। গত কাল বৃহস্পতিবার ড্রোন হামলার পর বন্ধ করা হয়েছিল বিমানবন্দর, আজ শুক্রবারও বন্ধই আছে।
দেশটির সরকারি বিমান পরিষেবা সংস্থা মিয়ানমার এয়ারওয়েজ ইন্টারন্যাশাল তাদের ফেসবুক পেজে হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটির ব্যাংক দপ্তরের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, “তাড়া-উ বিমাবন্দর বন্ধ থাকায় সেখানে আগামী ১১ ও ১২ সেপ্টেম্বরের সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।”
মিয়ানমারের রাষ্ট্রায়ত্ত দৈনিক গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার শুক্রবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত কাল বৃহস্পতিবার তাড়া-উ আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর লক্ষ্য করে ৬ টি ফার্স্ট-পারসন-ভিউ সুইসাইড ড্রোন নিক্ষেপ করেছে মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি সশস্ত্র রাজনৈতিক দল পিপলস ডিফেন্স ফোর্স (পিডিএফ)।
“হামলার কারণে কিছু অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের শিডিউলে ব্যাঘাত ঘটেছে। তবে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো যানবাহন বা বিমানবন্দরের রানওয়েরও কোনো ক্ষতি হয়নি”, বলা হয়েছে গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমারের প্রতিবেদনে।
মিয়ানমারের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, তাড়া-উ বিমানবন্দরে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান ছিল। সেটিকে লক্ষ্য করে ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছিল।
২০২১ সালে ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন সরকারকে উচ্ছেদ করে সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা দখলের পরপরই রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হয় মিয়ানমারে। প্রায় ৫ বছর সামরিক শাসনের পর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে মিয়ানমারে নির্বাচন হয়, প্রেসিডেন্ট হন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লেইং, তবে এখনও দেশটিতে স্থিতিশীলতা আসেনি।
সূত্র : রয়টার্স
এমএইচ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 


















