প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে বদ্ধপরিকর ইরান: বাঘাই

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ প্রত্যেকের হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে ইরান বদ্ধপরিকর। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হত্যাকাণ্ডের বিচার ও প্রতিশোধ নিতে সম্ভাব্য সব আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হবে।

সোমবার তার সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে বাঘাই বলেন, সাম্প্রতিক ৪০ দিনের যুদ্ধে যেসব ঘটনা ঘটেছে, সেগুলোর জন্য দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা ইরানের রাজনৈতিক, নৈতিক ও আইনি দায়িত্ব।

‘যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতি না রাখলে সমঝোতা স্মারক আর মানবে না ইরান’‘যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতি না রাখলে সমঝোতা স্মারক আর মানবে না ইরান’
তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই আক্রমণের সময় সংঘটিত নৃশংসতার বিচার করার ক্ষেত্রে কোনো সময়সীমা নেই। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি।

বাঘাই বলেন, সংঘাতে নিহত অন্যদের বিচার ও প্রতিশোধ নেওয়া ইরানের জনগণের একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক আদালত ও কূটনৈতিক সব পথ ব্যবহার করে কাজ করবে।

তিনি আরও জানান, দেশের ভেতরেও নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হবে। এসব পদক্ষেপকে তিনি ইরানের বৃহত্তর আইনি প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন।

সূত্র: বার্তা সংস্থা তাসনিম

এমএইচ

জনপ্রিয়

১৭ বছরের আন্দোলনেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি তৈরি: রিজভী

প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে বদ্ধপরিকর ইরান: বাঘাই

প্রকাশিত : ০৯:১৩:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ প্রত্যেকের হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে ইরান বদ্ধপরিকর। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হত্যাকাণ্ডের বিচার ও প্রতিশোধ নিতে সম্ভাব্য সব আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হবে।

সোমবার তার সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে বাঘাই বলেন, সাম্প্রতিক ৪০ দিনের যুদ্ধে যেসব ঘটনা ঘটেছে, সেগুলোর জন্য দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা ইরানের রাজনৈতিক, নৈতিক ও আইনি দায়িত্ব।

‘যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতি না রাখলে সমঝোতা স্মারক আর মানবে না ইরান’‘যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতি না রাখলে সমঝোতা স্মারক আর মানবে না ইরান’
তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই আক্রমণের সময় সংঘটিত নৃশংসতার বিচার করার ক্ষেত্রে কোনো সময়সীমা নেই। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি।

বাঘাই বলেন, সংঘাতে নিহত অন্যদের বিচার ও প্রতিশোধ নেওয়া ইরানের জনগণের একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক আদালত ও কূটনৈতিক সব পথ ব্যবহার করে কাজ করবে।

তিনি আরও জানান, দেশের ভেতরেও নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হবে। এসব পদক্ষেপকে তিনি ইরানের বৃহত্তর আইনি প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন।

সূত্র: বার্তা সংস্থা তাসনিম

এমএইচ