সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে বিভাগে হামের উপসর্গ ও সংশ্লিষ্ট জটিলতায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ জনে।

মারা যাওয়া চার শিশুর মধ্যে দুজন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং অপর দুজন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।

মৃতদের মধ্যে দুজন সিলেট জেলার, একজন মৌলভীবাজারের এবং একজন সুনামগঞ্জের বাসিন্দা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২৯৫ জন রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নতুন কোনো রোগী শনাক্ত না হলেও এ সময়ে ৪৩ জন সন্দেহভাজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

অধিদপ্তর আরও জানায়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ মে পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মোট ১৫৮ জন ল্যাব-নিশ্চিত (কনফার্মড) হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ পর্যন্ত মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে চারজনের ক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে, আর বাকিদের মৃত্যু হামের উপসর্গের ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

এমএইচ

জনপ্রিয়

১৭ বছরের আন্দোলনেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি তৈরি: রিজভী

সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত : ০২:৫৫:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে বিভাগে হামের উপসর্গ ও সংশ্লিষ্ট জটিলতায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ জনে।

মারা যাওয়া চার শিশুর মধ্যে দুজন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং অপর দুজন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।

মৃতদের মধ্যে দুজন সিলেট জেলার, একজন মৌলভীবাজারের এবং একজন সুনামগঞ্জের বাসিন্দা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২৯৫ জন রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নতুন কোনো রোগী শনাক্ত না হলেও এ সময়ে ৪৩ জন সন্দেহভাজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

অধিদপ্তর আরও জানায়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ মে পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মোট ১৫৮ জন ল্যাব-নিশ্চিত (কনফার্মড) হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ পর্যন্ত মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে চারজনের ক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে, আর বাকিদের মৃত্যু হামের উপসর্গের ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

এমএইচ