ক্ষমতার দাপট দেখাবেন না, মানুষের মন জয় করুন: মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলীয় নেতাকর্মীদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, খালি ক্ষমতায় আসছি বলে ক্ষমতা দেখাবেন না। এটা করলে মানুষের ভালোবাসা পাবেন না। রাজনীতির মূল কথাই হলো জনগণের মন জয় করা।

​বুধবার (২০ মে) বিকালে ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

​বক্তব্যের একপর্যায়ে স্বভাবসুলভ গম্ভীর রাজনীতিবিদের খোলস ছেড়ে মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাঁওয়ের আঞ্চলিক (মেঠো) ভাষায় নেতাকর্মীদের সতর্ক করেন। তিনি বলেন, ‘মুই যদি জাহানে (এখানে) চুরি-চামারি শুরু করু, মানুষকে ধমকাও; তাহলে আর যাওয়া যাবে? গ্রামের মানুষ পছন্দ করবে না তাই।’

নেতাকর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, দয়া করে দলের লোকেরা সংগঠনকে শক্তিশালী করেন। আপনারা সঠিক ও আদর্শিকভাবে নেতৃত্ব দেন। রাজনীতির মূল কথাটি কী? উইন ওভার (Win over)! আমি জনগণের ভালোবাসা পাবো, জনগণের কাছে ভালোবাসা নিব—আপনাদের এটাই করতে হবে।

​অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, সরকার ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীরা।

​এর আগে, ঠাকুরগাঁওয়ের শিবগঞ্জ পরিত্যক্ত বিমানবন্দর চত্বরে তিন মন্ত্রীসহ এক বিশাল গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে ভালোবাসায় সিক্ত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা।

​রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত যখন ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে কঠোর বার্তা দেওয়া হচ্ছে, তখন মির্জা ফখরুলের এই ‘মেঠো ভাষার হুঁশিয়ারি’ দেশজুড়ে রাজনৈতিক মহলে এক ইতিবাচক ও দায়িত্বশীল বার্তা দেবে।

এমএইচ

জনপ্রিয়

১৭ বছরের আন্দোলনেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি তৈরি: রিজভী

ক্ষমতার দাপট দেখাবেন না, মানুষের মন জয় করুন: মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত : ০৪:৫৭:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলীয় নেতাকর্মীদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, খালি ক্ষমতায় আসছি বলে ক্ষমতা দেখাবেন না। এটা করলে মানুষের ভালোবাসা পাবেন না। রাজনীতির মূল কথাই হলো জনগণের মন জয় করা।

​বুধবার (২০ মে) বিকালে ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

​বক্তব্যের একপর্যায়ে স্বভাবসুলভ গম্ভীর রাজনীতিবিদের খোলস ছেড়ে মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাঁওয়ের আঞ্চলিক (মেঠো) ভাষায় নেতাকর্মীদের সতর্ক করেন। তিনি বলেন, ‘মুই যদি জাহানে (এখানে) চুরি-চামারি শুরু করু, মানুষকে ধমকাও; তাহলে আর যাওয়া যাবে? গ্রামের মানুষ পছন্দ করবে না তাই।’

নেতাকর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, দয়া করে দলের লোকেরা সংগঠনকে শক্তিশালী করেন। আপনারা সঠিক ও আদর্শিকভাবে নেতৃত্ব দেন। রাজনীতির মূল কথাটি কী? উইন ওভার (Win over)! আমি জনগণের ভালোবাসা পাবো, জনগণের কাছে ভালোবাসা নিব—আপনাদের এটাই করতে হবে।

​অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, সরকার ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীরা।

​এর আগে, ঠাকুরগাঁওয়ের শিবগঞ্জ পরিত্যক্ত বিমানবন্দর চত্বরে তিন মন্ত্রীসহ এক বিশাল গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে ভালোবাসায় সিক্ত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা।

​রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত যখন ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে কঠোর বার্তা দেওয়া হচ্ছে, তখন মির্জা ফখরুলের এই ‘মেঠো ভাষার হুঁশিয়ারি’ দেশজুড়ে রাজনৈতিক মহলে এক ইতিবাচক ও দায়িত্বশীল বার্তা দেবে।

এমএইচ