কতদিন ‘তীব্র’ লড়াই’ করতে পারবে, জানাল ইরান

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সঙ্গে আরও ৬ মাস ‘তীব্র লড়াই’ করার মতো রসদ, লোকবল ও সামর্থ্য আছে ইরানের। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী মোহম্মদ নাইনি।

গতকাল শনিবার ইরানের সরকারি বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজ অনলাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাইনি বলেন, “বর্তমানে যে গতিতে আমরা যুদ্ধ করছি, এই গতি বজায় রেখে আরও ৬ মাস আমরা যুদ্ধ করতে পারব। সেই পরিমাণ রসদ, লোকবল ও সামর্থ্য আমাদের আছে।”

যুদ্ধর গত ৭ দিনে মধ্যপ্রাচ্যে ২ শ’রও বেশি মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনায় আইআরজিসি এবং ইরানের নিয়মিত প্রতিরক্ষা বাহিন হামলা চালিয়েছে বলেও ফার্স নিউজকে জানিয়েছেন আলী মোহম্মদ নাইনি।

ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলোতে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান।

সূত্র : এএফপি

এমএইচ

শক্তিশালী ভূমিকম্পে ইতালির নেপলসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

কতদিন ‘তীব্র’ লড়াই’ করতে পারবে, জানাল ইরান

প্রকাশিত : ১২:৫৮:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সঙ্গে আরও ৬ মাস ‘তীব্র লড়াই’ করার মতো রসদ, লোকবল ও সামর্থ্য আছে ইরানের। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী মোহম্মদ নাইনি।

গতকাল শনিবার ইরানের সরকারি বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজ অনলাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাইনি বলেন, “বর্তমানে যে গতিতে আমরা যুদ্ধ করছি, এই গতি বজায় রেখে আরও ৬ মাস আমরা যুদ্ধ করতে পারব। সেই পরিমাণ রসদ, লোকবল ও সামর্থ্য আমাদের আছে।”

যুদ্ধর গত ৭ দিনে মধ্যপ্রাচ্যে ২ শ’রও বেশি মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনায় আইআরজিসি এবং ইরানের নিয়মিত প্রতিরক্ষা বাহিন হামলা চালিয়েছে বলেও ফার্স নিউজকে জানিয়েছেন আলী মোহম্মদ নাইনি।

ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলোতে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান।

সূত্র : এএফপি

এমএইচ