বিনিয়োগ বাড়াতে কার্যকর কৌশল নিতে হবে

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, ‘দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও টেকসই কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে নতুন সরকারকে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে কার্যকর ও বাস্তবসম্মত কৌশল গ্রহণ করতে হবে।’ গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি জানান, চলতি বছরের মধ্যেই দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘চলতি মাসের মধ্যেই রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করবে, যা পরবর্তী সময়ের জন্য অর্থনীতিকে আরো শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাবে।

ড. মনসুর স্বীকার করেন, অতীতে ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে এবং সেগুলো পুরোপুরি সংশোধনে সময় লাগবে।

তবে তিনি বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সংস্কার উদ্যোগের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে বলেন, ‘অর্থনীতির ভঙ্গুরতা এখনো পুরোপুরি দূর না হলেও পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতার দিকে এগোচ্ছে।’ তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে নির্বাচিত সরকারও চলমান এসব গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচক প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা এখনো অর্জিত হয়নি।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ধারাবাহিক নীতি সহায়তার মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

তিনি জানান, সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিবেশ স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এসময় গভর্নর উল্লেখ করেন, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বন্ধ রেখেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এমএইচ

জনপ্রিয়

বাংলা-ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে সামঞ্জস্য আনা হবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

বিনিয়োগ বাড়াতে কার্যকর কৌশল নিতে হবে

প্রকাশিত : ০১:২১:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, ‘দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও টেকসই কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে নতুন সরকারকে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে কার্যকর ও বাস্তবসম্মত কৌশল গ্রহণ করতে হবে।’ গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি জানান, চলতি বছরের মধ্যেই দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘চলতি মাসের মধ্যেই রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করবে, যা পরবর্তী সময়ের জন্য অর্থনীতিকে আরো শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাবে।

ড. মনসুর স্বীকার করেন, অতীতে ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে এবং সেগুলো পুরোপুরি সংশোধনে সময় লাগবে।

তবে তিনি বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সংস্কার উদ্যোগের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে বলেন, ‘অর্থনীতির ভঙ্গুরতা এখনো পুরোপুরি দূর না হলেও পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতার দিকে এগোচ্ছে।’ তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে নির্বাচিত সরকারও চলমান এসব গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচক প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা এখনো অর্জিত হয়নি।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ধারাবাহিক নীতি সহায়তার মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

তিনি জানান, সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিবেশ স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এসময় গভর্নর উল্লেখ করেন, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বন্ধ রেখেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এমএইচ