মধ্যপ্রাচ্যে বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে থাকা রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডকে মধ্যপ্রাচ্যে যেতে নির্দেশনা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ভেনেজুয়েলার অপহৃত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করতে বিশ্বের সর্ববৃহৎ এ রণতরী ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে গিয়েছিল।

ইরানে হামলা চালানো হবে নাকি হবে না, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন সিদ্ধান্তের মধ্যে ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডকে মধ্যপ্রাচ্যে যেতে বলা হলো।

মধ্যপ্রাচ্যে ইতিমধ্যে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ও এরসঙ্গে থাকা বিশাল যুদ্ধজাহাজের বহর অবস্থান করছে। এরমধ্যেই সর্ববৃহৎ রণতরীটি সেখানে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান গত কয়েকদিন ধরে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে। মার্কিনিরা ইরানের কাছে দাবি করেছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ছাড়াও ব্যালিস্টিক কর্মসূচিতেও ছাড় দিতে হবে। এছাড়া হুথি ও হিজবুল্লাহর মতো প্রক্সি বাহিনীকে সহায়তা দিতে পারবে না।

কিন্তু ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তারা তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইল নিয়ে কোনো আলোচনাই করবে না।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা বলেছেন, চুক্তি করতে ইরানকে চাপে ফেলতেই তারা নতুন করে আরেকটি রণতরী নিয়ে এসেছে।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

এমএইচ

জনপ্রিয়

রাশিয়ায় তৈরি ক্যানসারের টিকা প্রথম রোগীর শরীরে কার্যকরভাবে কাজ করছে

মধ্যপ্রাচ্যে বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত : ০৭:৫৭:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে থাকা রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডকে মধ্যপ্রাচ্যে যেতে নির্দেশনা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ভেনেজুয়েলার অপহৃত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করতে বিশ্বের সর্ববৃহৎ এ রণতরী ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে গিয়েছিল।

ইরানে হামলা চালানো হবে নাকি হবে না, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন সিদ্ধান্তের মধ্যে ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডকে মধ্যপ্রাচ্যে যেতে বলা হলো।

মধ্যপ্রাচ্যে ইতিমধ্যে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ও এরসঙ্গে থাকা বিশাল যুদ্ধজাহাজের বহর অবস্থান করছে। এরমধ্যেই সর্ববৃহৎ রণতরীটি সেখানে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান গত কয়েকদিন ধরে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে। মার্কিনিরা ইরানের কাছে দাবি করেছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ছাড়াও ব্যালিস্টিক কর্মসূচিতেও ছাড় দিতে হবে। এছাড়া হুথি ও হিজবুল্লাহর মতো প্রক্সি বাহিনীকে সহায়তা দিতে পারবে না।

কিন্তু ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তারা তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইল নিয়ে কোনো আলোচনাই করবে না।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা বলেছেন, চুক্তি করতে ইরানকে চাপে ফেলতেই তারা নতুন করে আরেকটি রণতরী নিয়ে এসেছে।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

এমএইচ