সিলেট-১ আসন

বিএনপির মুক্তাদির ও তার স্ত্রী ১০০ ভরি স্বর্ণের মালিক, পেয়েছেন উপহার হিসেবে

সিলেট চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি খন্দকার আবদুল মুক্তাদির ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান। তার বাবা খন্দকার আবদুল মালেকও ব্যবসায়ী ছিলেন। এর আগে তিনি সিলেট-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

সিলেট-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় দাখিলকৃত হলফনামায় জানিয়েছেন, তিনি ও তার স্ত্রী জাকিয়া ইয়াসমিন ১০০ ভরি স্বর্ণের মালিক। এই স্বর্ণের পুরোটাই তারা উপহার হিসেবে পেয়েছেন।

তিনি হলফনামায় আরও উল্লেখ করেন, তার বার্ষিক আয় প্রায় ৩৯ লাখ ২১ হাজার টাকা। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৩৪ কোটি ৩৫ লাখ ৬৪ হাজার টাকা।

এর মাধ্যমে জানা যায়, সিলেটে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির হিসেবে শীর্ষে রয়েছেন খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।

হলফনামায় তিনি জানিয়েছেন, তার নিজের রয়েছে ৫০ ভরি স্বর্ণ এবং তার স্ত্রীর রয়েছে আরও ৫০ ভরি স্বর্ণ। এই ১০০ ভরি স্বর্ণের উৎস সম্পর্কে তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেছেন, ‘বিবাহের সময় আত্মীয় স্বজন হতে উপহার হিসেবে প্রাপ্ত সোনা। তাই অধিগ্রহণকালে এর মূল্য শূণ্য।’ তবে বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী নিজের ৫০ ভরি স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য ৫০ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর ৫০ ভরির মূল্যও সমপরিমাণ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

আর্থিক সম্পদের বিবরণে দেখা যায়, মুক্তাদিরের কাছে নগদ ৬৪ লাখ ২৮ হাজার টাকা এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৪ লাখ ৫৮ হাজার টাকা জমা রয়েছে। তার স্ত্রীর কাছে নগদ ১ কোটি ২০ লাখ টাকা থাকলেও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কোনো টাকা নেই। মুক্তাদিরের অস্থাবর সম্পত্তির বর্তমান মূল্য ১৫ কোটি ৭২ লাখ ৭ হাজার টাকা এবং স্থাবর সম্পত্তির মূল্য ১৮ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। তার স্থাবর সম্পদের মধ্যে কৃষি ও অকৃষি জমি রয়েছে এবং স্ত্রীর নামে রয়েছে দুটি ফ্ল্যাট।

অন্যদিকে, হলফনামার তথ্যমতে, ব্যাংকের কাছে মুক্তাদিরের ঋণের পরিমাণ ৬ কোটি ৮৫ লাখ ৮ হাজার টাকা। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএসএস ডিগ্রিধারী এই প্রার্থীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলেও হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোনয়নপত্রটি বৈধ হিসেবে গ্রহণ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এমএইচ

জনপ্রিয়

১৭ বছরের আন্দোলনেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি তৈরি: রিজভী

সিলেট-১ আসন

বিএনপির মুক্তাদির ও তার স্ত্রী ১০০ ভরি স্বর্ণের মালিক, পেয়েছেন উপহার হিসেবে

প্রকাশিত : ০৮:৫৫:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

সিলেট চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি খন্দকার আবদুল মুক্তাদির ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান। তার বাবা খন্দকার আবদুল মালেকও ব্যবসায়ী ছিলেন। এর আগে তিনি সিলেট-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

সিলেট-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় দাখিলকৃত হলফনামায় জানিয়েছেন, তিনি ও তার স্ত্রী জাকিয়া ইয়াসমিন ১০০ ভরি স্বর্ণের মালিক। এই স্বর্ণের পুরোটাই তারা উপহার হিসেবে পেয়েছেন।

তিনি হলফনামায় আরও উল্লেখ করেন, তার বার্ষিক আয় প্রায় ৩৯ লাখ ২১ হাজার টাকা। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৩৪ কোটি ৩৫ লাখ ৬৪ হাজার টাকা।

এর মাধ্যমে জানা যায়, সিলেটে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির হিসেবে শীর্ষে রয়েছেন খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।

হলফনামায় তিনি জানিয়েছেন, তার নিজের রয়েছে ৫০ ভরি স্বর্ণ এবং তার স্ত্রীর রয়েছে আরও ৫০ ভরি স্বর্ণ। এই ১০০ ভরি স্বর্ণের উৎস সম্পর্কে তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেছেন, ‘বিবাহের সময় আত্মীয় স্বজন হতে উপহার হিসেবে প্রাপ্ত সোনা। তাই অধিগ্রহণকালে এর মূল্য শূণ্য।’ তবে বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী নিজের ৫০ ভরি স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য ৫০ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর ৫০ ভরির মূল্যও সমপরিমাণ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

আর্থিক সম্পদের বিবরণে দেখা যায়, মুক্তাদিরের কাছে নগদ ৬৪ লাখ ২৮ হাজার টাকা এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৪ লাখ ৫৮ হাজার টাকা জমা রয়েছে। তার স্ত্রীর কাছে নগদ ১ কোটি ২০ লাখ টাকা থাকলেও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কোনো টাকা নেই। মুক্তাদিরের অস্থাবর সম্পত্তির বর্তমান মূল্য ১৫ কোটি ৭২ লাখ ৭ হাজার টাকা এবং স্থাবর সম্পত্তির মূল্য ১৮ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। তার স্থাবর সম্পদের মধ্যে কৃষি ও অকৃষি জমি রয়েছে এবং স্ত্রীর নামে রয়েছে দুটি ফ্ল্যাট।

অন্যদিকে, হলফনামার তথ্যমতে, ব্যাংকের কাছে মুক্তাদিরের ঋণের পরিমাণ ৬ কোটি ৮৫ লাখ ৮ হাজার টাকা। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএসএস ডিগ্রিধারী এই প্রার্থীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলেও হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোনয়নপত্রটি বৈধ হিসেবে গ্রহণ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এমএইচ