সিরিয়ায় আইএসের জ্যেষ্ঠ নেতা গ্রেফতার

সিরিয়ার দামেস্ক অঞ্চল থেকে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) একজন জ্যেষ্ঠ নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মার্কিন নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোটের সঙ্গে পরিচালিত এক যৌথ অভিযানে সিরিয়া কর্তৃপক্ষ তাকে গ্রেফতার করে।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দেশটির এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা দেশটির জেনারেল আহমদ আল-দালাতির বরাত দিয়ে জানিয়েছে, গ্রেফতার আইএস নেতার নাম ত্বহা আল-জুবি। তিনি আবু উমর তাবিয়া নামেও পরিচিত। বেশ কয়েকজন অনুসারীসহ তাকে প্রেফতার করা হয়।

গত ১৩ ডিসেম্বর সিরিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় শহর পালমিরায় আইএসের এক বন্দুকধারীর হামলায় দুই মার্কিন সেনা ও এক বেসামরিক মার্কিন নাগরিক নিহত হন। ওই ঘটনার দুই সপ্তাহ পার হওয়ার আগেই গোষ্ঠীটির এই জ্যেষ্ঠ নেতাকে গ্রেফতারের খবর এলো।

একটি পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানায়, ১৩ ডিসেম্বরের হামলার জবাবে ২০ ডিসেম্বর মার্কিন বিমান হামলায় অন্তত পাঁচ আইএস সদস্য নিহত হন।

বাশার আল-আসাদের পতনের পর পালমিরা হামলা ছিল প্রথম বড় কোনো সহিংসতার ঘটনা। সিরীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পালমিরার ওই হামলাকারী দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীরই একজন সদস্য ছিলেন, যাকে মূলত তার ‘চরমপন্থি মতাদর্শের’ কারণে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার প্রক্রিয়া চলছিল।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

এমএইচ

সিরিয়ায় আইএসের জ্যেষ্ঠ নেতা গ্রেফতার

প্রকাশিত : ০২:০৯:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

সিরিয়ার দামেস্ক অঞ্চল থেকে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) একজন জ্যেষ্ঠ নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মার্কিন নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোটের সঙ্গে পরিচালিত এক যৌথ অভিযানে সিরিয়া কর্তৃপক্ষ তাকে গ্রেফতার করে।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দেশটির এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা দেশটির জেনারেল আহমদ আল-দালাতির বরাত দিয়ে জানিয়েছে, গ্রেফতার আইএস নেতার নাম ত্বহা আল-জুবি। তিনি আবু উমর তাবিয়া নামেও পরিচিত। বেশ কয়েকজন অনুসারীসহ তাকে প্রেফতার করা হয়।

গত ১৩ ডিসেম্বর সিরিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় শহর পালমিরায় আইএসের এক বন্দুকধারীর হামলায় দুই মার্কিন সেনা ও এক বেসামরিক মার্কিন নাগরিক নিহত হন। ওই ঘটনার দুই সপ্তাহ পার হওয়ার আগেই গোষ্ঠীটির এই জ্যেষ্ঠ নেতাকে গ্রেফতারের খবর এলো।

একটি পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানায়, ১৩ ডিসেম্বরের হামলার জবাবে ২০ ডিসেম্বর মার্কিন বিমান হামলায় অন্তত পাঁচ আইএস সদস্য নিহত হন।

বাশার আল-আসাদের পতনের পর পালমিরা হামলা ছিল প্রথম বড় কোনো সহিংসতার ঘটনা। সিরীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পালমিরার ওই হামলাকারী দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীরই একজন সদস্য ছিলেন, যাকে মূলত তার ‘চরমপন্থি মতাদর্শের’ কারণে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার প্রক্রিয়া চলছিল।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

এমএইচ