ইউক্রেন ইস্যুতে চুক্তিতে আসতে চান পুতিন, দাবি ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তার টেলিফোন বৈঠক ‘চমৎকার’ ছিল এবং ইউক্রেন ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট পুতিন একটি চুক্তিতে আসতে চান।

গত কাল বুধবার এয়ারফোর্স ওয়ান বিমানে ওয়াশিংটন থেকে ডালাস যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, “আমদের ফোনালাপ চমৎকার ছিল। তিনি (পুতিন) একটি চুক্তিতে আসতে চাইছেন। এখন (ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির) জেলেনস্কিও যদি চুক্তিতে আসেন, তাহলে খুবই ভালো হয়।”

গত ৭ তারিখ সোমবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার মস্কোতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষ করে ওই দিনই কিয়েভের উদ্দেশে রওনা দেন তারা।

উইটকফ এবং কুশনারের সঙ্গে পুতিনের বৈঠক শেষে রুশ প্রেসিডেন্টকে টেলিফোন করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তাদের সেই ফোনালাপের পুরোটা জুড়েই ছিল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সমাপ্তি।

গত মাসে, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির (সিআইএ) পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ মস্কোতে গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন; এই বৈঠকেরও অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল রাশিয়াকে যুদ্ধ শেষ করতে উদ্বুদ্ধ করা।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের এসব প্রচেষ্টা এবং ট্রাম্পের বিভিন্ন বক্তব্য সত্ত্বেও মার্কিন, ইউক্রেন ও ইউরোপের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা সন্দেহ পোষণ করছেন যে, পুতিন আদৌ চলমান যুদ্ধ—যা এখন চতুর্থ বছরে গড়িয়েছে—বন্ধ করতে আন্তরিকভাবে আগ্রহী কি না।

পুতিন ও জেলেনস্কির প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, “সমস্যার মূলে রয়েছেন এমন দুজন ব্যক্তি যারা একে অপরকে ঘৃণা করেন।”

“আমার মনে হয় অন্য সবকিছুর চেয়ে বড় কারণ হলো, এরা এমন দুজন মানুষ যারা একে অপরকে ঘৃণা করেন।”

সূত্র : রয়টার্স

এমএইচ

জনপ্রিয়

বাবেল-মানদেব প্রণালির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিল হুথিরা

ইউক্রেন ইস্যুতে চুক্তিতে আসতে চান পুতিন, দাবি ট্রাম্পের

প্রকাশিত : ০৬:০৩:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তার টেলিফোন বৈঠক ‘চমৎকার’ ছিল এবং ইউক্রেন ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট পুতিন একটি চুক্তিতে আসতে চান।

গত কাল বুধবার এয়ারফোর্স ওয়ান বিমানে ওয়াশিংটন থেকে ডালাস যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, “আমদের ফোনালাপ চমৎকার ছিল। তিনি (পুতিন) একটি চুক্তিতে আসতে চাইছেন। এখন (ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির) জেলেনস্কিও যদি চুক্তিতে আসেন, তাহলে খুবই ভালো হয়।”

গত ৭ তারিখ সোমবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার মস্কোতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষ করে ওই দিনই কিয়েভের উদ্দেশে রওনা দেন তারা।

উইটকফ এবং কুশনারের সঙ্গে পুতিনের বৈঠক শেষে রুশ প্রেসিডেন্টকে টেলিফোন করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তাদের সেই ফোনালাপের পুরোটা জুড়েই ছিল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সমাপ্তি।

গত মাসে, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির (সিআইএ) পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ মস্কোতে গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন; এই বৈঠকেরও অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল রাশিয়াকে যুদ্ধ শেষ করতে উদ্বুদ্ধ করা।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের এসব প্রচেষ্টা এবং ট্রাম্পের বিভিন্ন বক্তব্য সত্ত্বেও মার্কিন, ইউক্রেন ও ইউরোপের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা সন্দেহ পোষণ করছেন যে, পুতিন আদৌ চলমান যুদ্ধ—যা এখন চতুর্থ বছরে গড়িয়েছে—বন্ধ করতে আন্তরিকভাবে আগ্রহী কি না।

পুতিন ও জেলেনস্কির প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, “সমস্যার মূলে রয়েছেন এমন দুজন ব্যক্তি যারা একে অপরকে ঘৃণা করেন।”

“আমার মনে হয় অন্য সবকিছুর চেয়ে বড় কারণ হলো, এরা এমন দুজন মানুষ যারা একে অপরকে ঘৃণা করেন।”

সূত্র : রয়টার্স

এমএইচ