পূর্ব উপকূলে উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা

উত্তর কোরিয়া আবারও সমুদ্রে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে নিজেদের শক্ত জানান দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান মিলে যৌথ সামরিক মহড়া শেষ করার ঠিক পরদিনই এ ঘটনা ঘটল। হঠাৎ নেওয়া এই উদ্যোগে কোরীয় উপদ্বীপে নতুন করে চাপা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী জানায়, শনিবার ভোরবেলা ওনসান শহরের উপকূলীয় এলাকা থেকে কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে উত্তর কোরিয়া।

ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আকাশপথে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার উড়ে গিয়ে সমুদ্রে আছড়ে পড়ে। ওদিকে খবর পাওয়ার পরপরই দক্ষিণ কোরিয়া তাদের সীমান্ত নজরদারি দ্বিগুণ করেছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সাথে সার্বক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান করছে। একই সাথে ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে তারা তড়িঘড়ি করে একটি জরুরি নিরাপত্তা বৈঠকও ডেকেছে।

অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তাদের বা তাদের মিত্র দেশগুলোর জন্য বড় কোনো তাৎক্ষণিক বিপদ তৈরি হয়নি। তবে তারা দক্ষিণ কোরিয়ার নিরাপত্তায় সবসময় পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

কয়েক দিন ধরে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র মিলে যে বড় ধরনের নৌ-মহড়া চালাচ্ছিল, সেটি নিয়েই চরম ক্ষুব্ধ ছিল উত্তর কোরিয়া। তাদের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আগেই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছিলেন যে, এই ধরনের উসকানিমূলক কাজের জবাব তারা কঠোরভাবেই দেবে।

এর আগেও ট্রাম্প যখন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সাথে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন, তখনও উত্তর কোরিয়া এসব যৌথ মহড়ার প্রতিবাদে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের এই সামরিক আয়োজনকে পিয়ংইয়ং সবসময়ই নিজেদের দেশে আক্রমণ করার একটা ছক হিসেবে দেখে আসছে।

সূত্র: আল-জাজিরা।

এমএইচ

জনপ্রিয়

বাংলা-ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে সামঞ্জস্য আনা হবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

পূর্ব উপকূলে উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা

প্রকাশিত : ০৬:৪৮:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

উত্তর কোরিয়া আবারও সমুদ্রে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে নিজেদের শক্ত জানান দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান মিলে যৌথ সামরিক মহড়া শেষ করার ঠিক পরদিনই এ ঘটনা ঘটল। হঠাৎ নেওয়া এই উদ্যোগে কোরীয় উপদ্বীপে নতুন করে চাপা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী জানায়, শনিবার ভোরবেলা ওনসান শহরের উপকূলীয় এলাকা থেকে কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে উত্তর কোরিয়া।

ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আকাশপথে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার উড়ে গিয়ে সমুদ্রে আছড়ে পড়ে। ওদিকে খবর পাওয়ার পরপরই দক্ষিণ কোরিয়া তাদের সীমান্ত নজরদারি দ্বিগুণ করেছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সাথে সার্বক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান করছে। একই সাথে ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে তারা তড়িঘড়ি করে একটি জরুরি নিরাপত্তা বৈঠকও ডেকেছে।

অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তাদের বা তাদের মিত্র দেশগুলোর জন্য বড় কোনো তাৎক্ষণিক বিপদ তৈরি হয়নি। তবে তারা দক্ষিণ কোরিয়ার নিরাপত্তায় সবসময় পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

কয়েক দিন ধরে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র মিলে যে বড় ধরনের নৌ-মহড়া চালাচ্ছিল, সেটি নিয়েই চরম ক্ষুব্ধ ছিল উত্তর কোরিয়া। তাদের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আগেই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছিলেন যে, এই ধরনের উসকানিমূলক কাজের জবাব তারা কঠোরভাবেই দেবে।

এর আগেও ট্রাম্প যখন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সাথে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন, তখনও উত্তর কোরিয়া এসব যৌথ মহড়ার প্রতিবাদে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের এই সামরিক আয়োজনকে পিয়ংইয়ং সবসময়ই নিজেদের দেশে আক্রমণ করার একটা ছক হিসেবে দেখে আসছে।

সূত্র: আল-জাজিরা।

এমএইচ