‘দখলদারিত্বের অবসান না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নয়’

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের ওপর ইসরাইলের অবৈধ দখলদারিত্বের অবসান না হওয়া পর্যন্ত দেশটির সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্ক স্বাভাবিক করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। সম্প্রতি এক আনুষ্ঠানিক ভাষণে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে এই অনড় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রেসিডেন্ট সিসি তার ভাষণে জোর দিয়ে বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চলমান অন্যায় ও আগ্রাসনের অবসান ঘটিয়ে একটি ন্যায়সংগত শান্তি প্রতিষ্ঠা করা ছাড়া এই অঞ্চলে কোনো স্থায়ী শান্তি, প্রকৃত স্থিতিশীলতা কিংবা জনমনে কোনো স্বাভাবিক সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে না। কেবল একটি ন্যায্য চুক্তির মাধ্যমেই ফিলিস্তিনিদের অধিকার তাদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব এবং এর ফলেই এই অঞ্চলের সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত হতে পারে।

১৯৭৯ সালে প্রথম আরব রাষ্ট্র হিসেবে মিসর ইসরাইলের সঙ্গে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। সেই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করিয়ে দিয়ে সিসি উল্লেখ করেন, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকট ও সংঘাতের একমাত্র সমাধান নিহিত রয়েছে ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে একটি ব্যাপক ও পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তির মধ্যে। একটি ন্যায়সংগত শান্তি চুক্তিই কেবল এই অঞ্চলের মানুষকে স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির মধ্যে বসবাস করার সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করে দিতে পারে।

বক্তব্যের শেষাংশে মিশরীয় প্রেসিডেন্ট ২০২৫ সালের অক্টোবরে কার্যকর হওয়া গাজা যুদ্ধবিরতির প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন ও সহযোগিতা বজায় রাখার আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, ওই যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকেও ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় এখন পর্যন্ত এক হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন।

সূত্র: আল-জাজিরা।
এমএইচ

ট্যাগ :

‘দখলদারিত্বের অবসান না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নয়’

প্রকাশিত : ০৯:০৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের ওপর ইসরাইলের অবৈধ দখলদারিত্বের অবসান না হওয়া পর্যন্ত দেশটির সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্ক স্বাভাবিক করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। সম্প্রতি এক আনুষ্ঠানিক ভাষণে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে এই অনড় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রেসিডেন্ট সিসি তার ভাষণে জোর দিয়ে বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চলমান অন্যায় ও আগ্রাসনের অবসান ঘটিয়ে একটি ন্যায়সংগত শান্তি প্রতিষ্ঠা করা ছাড়া এই অঞ্চলে কোনো স্থায়ী শান্তি, প্রকৃত স্থিতিশীলতা কিংবা জনমনে কোনো স্বাভাবিক সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে না। কেবল একটি ন্যায্য চুক্তির মাধ্যমেই ফিলিস্তিনিদের অধিকার তাদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব এবং এর ফলেই এই অঞ্চলের সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত হতে পারে।

১৯৭৯ সালে প্রথম আরব রাষ্ট্র হিসেবে মিসর ইসরাইলের সঙ্গে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। সেই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করিয়ে দিয়ে সিসি উল্লেখ করেন, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকট ও সংঘাতের একমাত্র সমাধান নিহিত রয়েছে ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে একটি ব্যাপক ও পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তির মধ্যে। একটি ন্যায়সংগত শান্তি চুক্তিই কেবল এই অঞ্চলের মানুষকে স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির মধ্যে বসবাস করার সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করে দিতে পারে।

বক্তব্যের শেষাংশে মিশরীয় প্রেসিডেন্ট ২০২৫ সালের অক্টোবরে কার্যকর হওয়া গাজা যুদ্ধবিরতির প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন ও সহযোগিতা বজায় রাখার আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, ওই যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকেও ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় এখন পর্যন্ত এক হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন।

সূত্র: আল-জাজিরা।
এমএইচ