সিরিয়া থেকে সব সৈন্য প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র

সিরিয়া থেকে নিজেদের অবশিষ্ট সব সৈন্য সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে দায়িত্বরত প্রায় ১,০০০ জন মার্কিন সেনার সবাই এই পর্যায়ক্রমিক প্রত্যাহারের আওতায় থাকছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন প্রশাসনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি ‌‌‘সুপরিকল্পিত এবং পরিস্থিতি-সাপেক্ষ রূপান্তর’ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মার্কিন সেনারা সিরিয়া ত্যাগ করছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, অঞ্চলে আইএস (আইএসআইএস)-এর যেকোনো হুমকির মোকাবিলায় মার্কিন বাহিনী সদা প্রস্তুত রয়েছে। জঙ্গি নেটওয়ার্কটির পুনরুত্থান রোধে আমরা আমাদের অংশীদারদের নেতৃত্বাধীন প্রচেষ্টায় সমর্থন দিয়ে যাব।

মার্কিন উপস্থিতির প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে আসার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি আরও বলেন, সিরিয়ার অভ্যন্তরে সন্ত্রাসবাদী হুমকি দমনে সেদেশের সরকার এখন মুখ্য দায়িত্ব পালনে আগ্রহী। তাই সিরিয়ায় বর্তমানে বড় পরিসরে মার্কিন সেনা উপস্থিতির আর প্রয়োজন নেই।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে সিরিয়ার একটি কৌশলগত সামরিক ঘাঁটি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার সম্পন্ন করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ঘাঁটিটি সিরীয় বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও সিরিয়ার মধ্যকার শক্তিশালী হতে থাকা সম্পর্কের এটি একটি বড় নিদর্শন, যা দেশটিতে নিয়োজিত মার্কিন সৈন্য সংখ্যা আরও কমিয়ে আনার পথ প্রশস্ত করেছে।

এমএইচ

সিরিয়া থেকে সব সৈন্য প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত : ০১:২৫:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সিরিয়া থেকে নিজেদের অবশিষ্ট সব সৈন্য সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে দায়িত্বরত প্রায় ১,০০০ জন মার্কিন সেনার সবাই এই পর্যায়ক্রমিক প্রত্যাহারের আওতায় থাকছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন প্রশাসনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি ‌‌‘সুপরিকল্পিত এবং পরিস্থিতি-সাপেক্ষ রূপান্তর’ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মার্কিন সেনারা সিরিয়া ত্যাগ করছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, অঞ্চলে আইএস (আইএসআইএস)-এর যেকোনো হুমকির মোকাবিলায় মার্কিন বাহিনী সদা প্রস্তুত রয়েছে। জঙ্গি নেটওয়ার্কটির পুনরুত্থান রোধে আমরা আমাদের অংশীদারদের নেতৃত্বাধীন প্রচেষ্টায় সমর্থন দিয়ে যাব।

মার্কিন উপস্থিতির প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে আসার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি আরও বলেন, সিরিয়ার অভ্যন্তরে সন্ত্রাসবাদী হুমকি দমনে সেদেশের সরকার এখন মুখ্য দায়িত্ব পালনে আগ্রহী। তাই সিরিয়ায় বর্তমানে বড় পরিসরে মার্কিন সেনা উপস্থিতির আর প্রয়োজন নেই।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে সিরিয়ার একটি কৌশলগত সামরিক ঘাঁটি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার সম্পন্ন করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ঘাঁটিটি সিরীয় বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও সিরিয়ার মধ্যকার শক্তিশালী হতে থাকা সম্পর্কের এটি একটি বড় নিদর্শন, যা দেশটিতে নিয়োজিত মার্কিন সৈন্য সংখ্যা আরও কমিয়ে আনার পথ প্রশস্ত করেছে।

এমএইচ