যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা, সামরিক বাহিনীকে যে কঠোর বার্তা দিলেন মোজতবা খামেনি

মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বড় ধরনের যুদ্ধ শুরুর খবরের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে তীব্র হুঙ্কার দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান বা তার মিত্রদের ওপর যদি নতুন করে কোনো আক্রমণ করা হয়, তবে তার সামরিক জবাব দিতে কোনো ধরনের ভৌগোলিক সীমানা বা নিয়ম মানবে না ইরানি বাহিনী।

মোজতবা খামেনির অফিসিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত এক বিশেষ বার্তায় ইরানের সামরিক বাহিনীকে যেকোনো হামলার মুখোমুখি হলে সাথে সাথে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়, শত্রুপক্ষ যদি আবারও নতুন করে কোনো সামরিক বা সন্ত্রাসী হামলা চালায়, তবে সেই যুদ্ধ কখন এবং কীভাবে শেষ হবে, তা ঠিক করবে একমাত্র ইরানের জনগণ ও সামরিক বাহিনী।

পরিস্থিতি আরও জটিল করে খামেনি নির্দেশ দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের সমস্ত স্থাবর-অস্থাবর ও সামরিক স্থাপনাকে যেন নতুন টার্গেট লিস্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর অর্থ হলো, নতুন করে সংঘাত শুরু হলে সেই লড়াই আর কেবল নির্দিষ্ট অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে থাকা মার্কিন ও ইসরাইলি স্বার্থে সরাসরি আঘাত হানতে পারে ইরানি বাহিনী।

সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল

এমএইচ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা, সামরিক বাহিনীকে যে কঠোর বার্তা দিলেন মোজতবা খামেনি

প্রকাশিত : ০৭:৩৪:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বড় ধরনের যুদ্ধ শুরুর খবরের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে তীব্র হুঙ্কার দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান বা তার মিত্রদের ওপর যদি নতুন করে কোনো আক্রমণ করা হয়, তবে তার সামরিক জবাব দিতে কোনো ধরনের ভৌগোলিক সীমানা বা নিয়ম মানবে না ইরানি বাহিনী।

মোজতবা খামেনির অফিসিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত এক বিশেষ বার্তায় ইরানের সামরিক বাহিনীকে যেকোনো হামলার মুখোমুখি হলে সাথে সাথে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়, শত্রুপক্ষ যদি আবারও নতুন করে কোনো সামরিক বা সন্ত্রাসী হামলা চালায়, তবে সেই যুদ্ধ কখন এবং কীভাবে শেষ হবে, তা ঠিক করবে একমাত্র ইরানের জনগণ ও সামরিক বাহিনী।

পরিস্থিতি আরও জটিল করে খামেনি নির্দেশ দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের সমস্ত স্থাবর-অস্থাবর ও সামরিক স্থাপনাকে যেন নতুন টার্গেট লিস্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর অর্থ হলো, নতুন করে সংঘাত শুরু হলে সেই লড়াই আর কেবল নির্দিষ্ট অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে থাকা মার্কিন ও ইসরাইলি স্বার্থে সরাসরি আঘাত হানতে পারে ইরানি বাহিনী।

সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল

এমএইচ